চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে খুলনা জেনারেল হাসপাতাল

0
117

আমাদের খুলনা ডেস্ক
চিকিৎসকসহ জনবল সংকটে ভুগছে খুলনার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল। এতে বিঘিœত হচ্ছে হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম। এ হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৫শ’ থেকে সাড়ে ৫শ’ রোগী আসে চিকিৎসা নিতে। তবে সেই তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম। এছাড়াও এ হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও লোকবল রয়েছে ১৫০ শয্যার। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি হয়েছে একাধিকবার।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট ২৯১টি পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ৭২টি পদ। কনসালটেন্ট, রেজিস্টার, মেডিকেল অফিসারসহ খুলনা জেনারেল হাসাপাতালে ৩৫টি চিকিৎসকের পদ রয়েছে। এর মধ্যে শূন্য পদ রয়েছে ৯টি। শূন্য পদগুলো হচ্ছে সিনিয়র কনসালটেন্ট (ইএসটি) ১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) পদে ১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (রেডিওলজী) পদে ১টি, জুনিয়র কনসালটেন্ট (প্যাথলজী) পদে ১টি, সহকারী রেজিস্ট্রার (সার্জারী) পদে ১টি, প্যাথলজিস্ট পদে ১টি, মেডিকেল অফিসার পদে ১ টি, ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার পদে ২টি। অন্যদিকে হাসপাতালের ২য় শ্রেণীর কর্মচারীদের মধ্যে ১৫৫টি পদের বিপরীতে ২টি সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৫টি স্টাফ নার্সের পদ শূন্য রয়েছে।

এদিকে ৩য় শ্রেণীর কর্মচারীদের মোট পদের সংখ্যা ৪৬টি। এর মধ্যে ওয়ার্ড মাস্টারের ১টি পদই শূণ্য রয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (রেডিওঃ) ২টি পদের বিপরীতে রয়েছে ১টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ল্যাব) ৩টি পদের বিপরীতে ২টি, মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ডেন্টাল) ২টি পদের বিপরীতে ১টি ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টের (ইপিআই) ১টি পদ শূন্য রয়েছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইসিজি)’র ৩টি পদের সবগুলোই শূন্য রয়েছে। এছাড়া মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (এনেস্থঃ), মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডায়ালাইসিস), মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (বায়োমেডিকেল) ও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ইকো) বিভাগের সৃষ্ট ১২টি পদের সবগুলো পদই শূন্য রযেছে। মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ফিজিও ও কার্ডিওলজি বিভাগে সৃষ্ট ২টি পদই শূণ্য। কম্পাউন্ডার পদে ১টি, গার্ডেনার ১টি ও সহকারী নার্স পদে সৃষ্ট ৭টি পদ মিলিয়ে মোট ৯টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়াও ৪র্থ শ্রেণীর ৫৬ জন কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও রয়েছে ৩২ জন। এমএলএসএস/ওয়ার্ড বয়/ আয়ার ২৫টি পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ৭টি পদ, কুক/মশালচীর ৯টি পদের ৮টি এবং সুইপারের ২০টি পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ৯টি পদ।

খুলনা সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহম্মেদ বলেন, এ হাসপাতালে আগের চেয়ে এখন রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। এখানে শয্যা সংখ্যা বাড়ালেও পর্যাপ্ত জনবল দেওয়া হয়নি। অনেকগুলো পদ ফাঁকা থাকার কারনে মাঝে মাঝে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তবে আরও বেশী চিকিৎসকের পদ সৃষ্টি করাসহ বর্তমান সংকটের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান জেলার এ শীর্ষ কর্মকর্তা। সূত্র: সময়ের খবর

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here