অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে স্কুলে ভর্তির লটারি আগামীকাল

0
43

আমাদের খুলনা ডেস্ক

অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে সারাদেশের সরকারি স্কুলে ভর্তির লটারি আগামীকাল সোমবার অনুষ্ঠিত হবে। টেলিটকের করিগরি সহযোগিতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ তত্বাবধায়নে ঢাকাতেই এ লটারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অনলাইনে প্রযুক্তি নির্ভর ভর্তি প্রক্রিয়ায় মেধার মূল্যায়ন না হওয়া এবং লটারি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকায় চরম উদ্বিগ্নতায় অভিভাবকরা।

সূত্রমতে,করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার স্কুলে বড় আয়োজনের মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা হলো না। আগামীকাল সোমবার অনলাইনে একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভর্তি লটারি অনুষ্ঠিত হবে। লটারীর উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় এটি পরিচালিত হবে। গত ১৭ মার্চ থেকে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনাকালীন ছূটি রয়েছে।

খুলনার সরকারি বিদ্যালয়ের তৃতীয় ও ষষ্ঠ শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। গেল বছর এসব সরকারি স্কুলের মধ্যে ছয়টি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণি এবং চারটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসনের বিপরীতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ছয়গুণ।

সূত্রমতে, খুলনা জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে প্রাত ও দিবা শাখায় ২৪০টি আসন, সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির দুই শাখায় ২৪০টি আসন, সরকারি ইকবালনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির দু’টি শাখায় ২৪০ আসন, খুলনা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে একটি শাখায় ১২০টি আসন, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণিতে ১২০টি আসন, সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ১২০টি আসন, কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১২০টি আসন, সালাহউদ্দীন ইউসুফ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ১২০টি আসন, সরকারি দৌলতপুর মুহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ১২০টি আসন এবং দেলদার আহমেদ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে ১২০ আসন রয়েছে।

খুলনার সরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও খুলনা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষিক ফারহানা নাজ সময়ের খবরকে বলেন, ঢাকাতে কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনের মাধ্যমে সফরওয়ারে লটারি অনুষ্ঠিত হবে। সে কারণে খুলনার স্কুলগুলোর শুণ্য আসনের বিপরীতে কত জন আবেদন করেছে, তাও জানা যায়নি। এবার অবশ্যই একজন শিশু পাঁচটি স্কুলে ভর্তির আবেদন করতে পেরেছে।

তিনি আরও বলেন, অভিভাবকদের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কিছু নেই। অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে লটারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here